Disease

যে কোন রোগের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি স্বাস্থ্যকানন আপনার পাশে রয়েছে

চিকিৎসার মাধ্যমে রোগী সেবাই আমাদের লক্ষ্য, স্বাস্থ্য আপনার চিকিৎসার দায়ীত্ব আমাদের,

নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা পেতে আমাদের সাথে থাকুন

Disease

ডা.আব্দুল আলিম

প্রভাষক: নাঙ্গল কোট হাজি বাদশা আমেনা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

নিয়মিত রোগী দেখছেন হোমিওপ্যাথি স্বাস্থ্যকাননে

বিক্রমপুর প্লাজা ৪র্থ থলা, জুরাইন রেল লাইন সংলগ্ন ঢাকা ১২০৪

০১৮৮৪-৬২৭০৯৬

Disease, Medicnie

সর্দি (Cold) কী?

সর্দি একটি সাধারণ ভাইরাসজনিত রোগ, যা প্রধানত নাক, গলা ও শ্বাসনালিকে প্রভাবিত করে। এটি খুবই সংক্রামক এবং সাধারণত আবহাওয়ার পরিবর্তন, ঠান্ডা লাগা, ভেজা কাপড়ে থাকা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে বেশি দেখা যায়।


সর্দির সাধারণ লক্ষণ

  • নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ থাকা
  • হাঁচি
  • গলা ব্যথা বা খুসখুসে ভাব
  • মাথা ভার লাগা
  • হালকা জ্বর
  • শরীর ব্যথা ও দুর্বলতা
  • চোখ দিয়ে পানি পড়া

হোমিওপ্যাথিতে সর্দির ধারণা

হোমিওপ্যাথিতে সর্দিকে শুধু ভাইরাসজনিত রোগ হিসেবে নয়, বরং ব্যক্তির সামগ্রিক শারীরিক ও মানসিক অবস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়। লক্ষণের ধরন, কখন বাড়ে বা কমে, আবহাওয়ার প্রভাব, রোগীর স্বভাব—সবকিছু বিবেচনা করে ঔষধ নির্বাচন করা হয়।


সর্দিতে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

১. Aconitum napellus

  • হঠাৎ ঠান্ডা বাতাসে ভিজে বা ঠান্ডা লাগার পর সর্দি
  • নাক শুকনো, জ্বর ও অস্থিরতা
  • রোগের শুরুতেই বেশি কার্যকর

২. Allium cepa

  • নাক দিয়ে জ্বালাপোড়া যুক্ত পানি পড়ে
  • চোখ দিয়ে পানি পড়ে কিন্তু চোখে জ্বালা কম
  • গরম ঘরে বাড়ে, খোলা বাতাসে কমে

৩. Arsenicum album

  • নাক দিয়ে পাতলা, জ্বালাযুক্ত পানি
  • দুর্বলতা, ঠান্ডা সহ্য হয় না
  • গভীর রাতে বা ভোরে উপসর্গ বাড়ে

৪. Nux vomica

  • নাক বন্ধ, রাতে বেশি কষ্ট
  • ঠান্ডা লাগলে বা বেশি কাজের চাপের পর সর্দি
  • রাগী ও অস্থির স্বভাব

৫. Pulsatilla

  • নাক দিয়ে ঘন হলুদ বা সবুজ স্রাব
  • গরম ঘরে কষ্ট বাড়ে, খোলা বাতাসে আরাম
  • সাধারণত শিশু ও নারীদের ক্ষেত্রে বেশি উপযোগী

হোমিওপ্যাথির সুবিধা—

  • পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রায় নেই
  • শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক
  • বারবার সর্দি হওয়ার প্রবণতা কমায়
  • শিশু, বয়স্ক ও গর্ভবতীদের জন্য তুলনামূলক নিরাপদ (চিকিৎসকের পরামর্শে)

Disease

খাদ্য উপাদান সঠিক মাত্রায় খাদ্য তালিকায় রাখলে আপনার স্বাস্থ্য হবে সুস্থ।

সঠিক মাত্রায় খাদ্য উপাদান গ্রহণই সুস্থ স্বাস্থ্যের চাবিকাঠি

সুস্থ জীবনযাপনের জন্য কেবল চিকিৎসার উপর নির্ভর করলেই যথেষ্ট নয়; প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসের সঠিক নিয়ন্ত্রণই হলো প্রকৃত সুস্থতার ভিত্তি। খাদ্য উপাদান সঠিক মাত্রায় খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলে শরীর ও মন দুটোই সুস্থ থাকে।

সুষম খাদ্য কী?

সুষম খাদ্য বলতে বোঝায় এমন একটি খাদ্য তালিকা যেখানে শর্করা, প্রোটিন, চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি—এই ছয়টি উপাদান সঠিক অনুপাতে থাকে।

কেন সঠিক মাত্রা গুরুত্বপূর্ণ?

অতিরিক্ত বা কম খাদ্য গ্রহণ দুটোই শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

  • অতিরিক্ত শর্করা ও চর্বি → স্থূলতা, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ
  • প্রোটিনের ঘাটতি → দুর্বলতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া
  • ভিটামিন ও খনিজের অভাব → বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগ

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কী রাখবেন?

  • শর্করা: ভাত, রুটি, আলু (পরিমিত পরিমাণে)
  • প্রোটিন: ডাল, ডিম, মাছ, মাংস
  • শাকসবজি ও ফল: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে
  • চর্বি: স্বাস্থ্যকর তেল সীমিত পরিমাণে
  • পানি: দিনে অন্তত ৮–১০ গ্লাস

উপসংহার

খাদ্যই হলো ঔষধের প্রথম ধাপ। সঠিক মাত্রায় ও সঠিক সময়ে খাদ্য গ্রহণ করলে অনেক রোগ থেকেই সহজেই মুক্ত থাকা যায়। আজ থেকেই সচেতন খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন, সুস্থ থাকুন।